logo
logo

Special Marriage এর ক্ষেত্রে তালাকের বিধান কি !

Blog single photo

স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী তালাক দিতে হলে স্বামী বা স্ত্রী উভয়কেই ১৮৬৯ সালের ডিভোর্স অ্যাক্ট অনুসরণ করে পারিবারিক আদালতে আবেদন করতে হয়। এখানে ইচ্ছামতো একতরফা তালাক দেওয়া যায় না, তবে পারস্পরিক সম্মতিতে বা ডিভোর্স অ্যাক্টের নির্দিষ্ট কারণ যেমন - নিষ্ঠুরতা, ব্যভিচার, বা দীর্ঘদিন সম্পর্ক না থাকলে কোর্টের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ করা সম্ভব।


স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে তালাকের পদ্ধতি:

১/ আদালতের শরণাপন্ন হওয়া: স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে বিবাহিত হলে, তালাক দিতে হলে অবশ্যই পারিবারিক আদালতে আবেদন (petition) করতে হবে।

২/ কারণ উল্লেখ: আদালতকে তালাকের বৈধ কারণ দেখাতে হবে, যেমন:

অন্য পক্ষকে মানসিক বা শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা।

অপ্রাপ্তবয়স্কতা (বিবাহের সময়)।

পরকীয়া / ব্যভিচার সম্পর্ক (Adultery)।

দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ত্যাগ করা (Desertion)।

অন্যান্য আইনগত কারণ।

৩/ পারস্পরিক সম্মতিতে তালাক (Mutual Consent Divorce):

স্বামী-স্ত্রী উভয়েই যদি বিবাহবিচ্ছেদে রাজি থাকেন, তবে যৌথ আবেদন করা যায়।

তারা যদি এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে আলাদা থাকেন এবং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব না হয়, তবে এই পথে যাওয়া যায়। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৬ মাস থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

৪/ স্ত্রীর তালাক দেওয়ার অধিকার (তালাক-ই-তাওফিজ):

নিকাহনামার ১৮ নম্বর ঘরে যদি স্বামী স্ত্রীকে তালাকের অধিকার দিয়ে থাকেন, তবে স্ত্রী সেই অধিকার প্রয়োগ করে তালাক দিতে পারেন।

এছাড়া, স্বামী লিখিতভাবে বা ঘোষণার মাধ্যমে এই অধিকার দিলে তা কার্যকর হয়।


মনে রাখতে হবে:

মুসলিম আইন অনুযায়ী সাধারণ বিবাহে যে পদ্ধতিতে তালাক দেওয়া যায় (যেমন: চেয়ারম্যানের মাধ্যমে), স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়।

স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের বিবাহবিচ্ছেদ সবসময় আদালতের মাধ্যমে হতে হবে, যা ১৮৬৯ সালের ডিভোর্স অ্যাক্ট অনুযায়ী পরিচালিত হয়।


Adv subarna seema

Supreme court of Bangladesh.

আপনার মতামত লিখুন

Top